ঢাকাSunday , 27 November 2022
  1. অপরাধ
  2. অভিনন্দন
  3. অর্থনীতি
  4. আইন ও বিচার
  5. আটক
  6. আত্মহত্যা
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আর্থিক সহায়তা
  9. আলোচনা সভা
  10. আহত
  11. উদ্বোধন
  12. এক্সিডেন্ট
  13. ওয়াজ মাহফিল
  14. কৃষি বার্তা
  15. খুন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এককালের সমাজ সেবক ইউছুফ খাঁনের বর্তমান পরিবার নিয়ে অশ্রুঝরা করুণ পরিস্হিতি

Link Copied!

((এককালের সমাজ সেবক
ইউছুফ খাঁনের বর্তমান
পরিবার নিয়ে অশ্রুঝরা
করুণ পরিস্হিতি))
—————————————-
> কামরুল ইসলাম বলেন–
চট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলার লোহাগাড়া থানার অন্তর্গত আমিরাবাদ ইউনিয়নের মাষ্টার হাট এলাকার বাসিন্দা,
আপনাদের সুপরিচিত,
অত্র এলাকার প্রাণপ্রিয় ব্যক্তী,
অত্র এলাকার গরীব দুঃখী মেহনতী মানুষের বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর,বিশিষ্ট দানবীর, বিশিষ্ট ক্রীড়াবীদ,
চট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলার বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের সাবেক-সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক// আমিরাবাদ ইউনিয়ন সাবেক-যুব লীগের সাংগঠনিক সম্পাদ//
আমিরাবাদ মাষ্টার হাট, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি//আমিরাবাদ গোলামবারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক পি,টিএ সভাপতি//আমিরাবাদ সুফিয়া দায়েমীয়া মুসলিম এতিম খানা ও হেজখানার নির্বাহী পরিচালনা কমিটির সাবেক সম্মানিত সদস্য//
আমিরাবাদ মতিউল্লাহ মহাজন পাড়া,খলু হাজি পাড়া ও খন্দকার পাড়া সমাজের সাধারণ সম্পাদক//আমিরাবাদ সৈয়দ পাড়া, আল-আমিন যুব কল্যাণ সংস্হার সিনিয়র সহ-সভাপতি //লোহাগাড়া উপজেলা খেলোয়াড় সমিতির সাবেক,সহ-ক্রীড়া সম্পাদক//
আমিরাবাদ মাষ্টার হাট,
ক্রীড়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক//জাতীয় সাংবাদিক সংস্হা,চট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাবেক সিনিয়র যুগ্ন-
আহবায়ক//আই,ভিশন টিভির কেন্দ্রীয় বিশেষ প্রতিনিধি//বর্তমান লোহাগাড়া থানার বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস জীবী লীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক//বর্তমান প্রবাসী মানবতা কল্যাণ সংগঠন বাংলাদেশ ৬৪ জেলার সাধারণ সম্পাদক//
👉জনাব,মোহাম্মদ ইউছুফ খাঁনকে আমি ব্যক্তীগত ভাবে ছোট বেলা থেকে দেখে আসছি,জনাব,ইউছুফ খাঁন,,
তার জীবদ্দশায় এলাকায় স্কুল,মসজিদ,এতিমখানা,
মাদ্রাসা,হেফজখানা,মন্দির,
কবরস্হান,এলাকার রাস্তাঘাট,সমাজের এতিম গরীব,মিসকিন,বিধবাদের সহয়তার কাজে ব্যপক ভুমিকা রেখেছেন।
তিনি সুযোগ পেলেই আত্বীয় স্বজন ও পাড়ার প্রতিবেশীর গ্রামবাসী ও এলাকার মানুষের কষ্ট লাঘবে সব রকমের চেষ্টা করতেন।
জনাব,ইউছুফ খাঁন,, পরিবারের বড় সন্তান,
তার তিন সন্তান স্রী সহ-মা বাবা,তারা তিন ভাই,দুই বোন রয়েছেন,ছোট দুই ভাই ইউছুফ খাঁনের সহযোগিতায়
ট্রাস্ট ব্যংকে চাকরি পেয়েছেন।আর একদিকে ইউছুফ খাঁন,নিজের পরিবারকে এগিয়ে নিয়ে যাবার সংগ্রাম চালাতে হয়, অন্যদিকে এলাকার অসহায় মানুষের প্রতি সেবা ও গরীবদের সু-চিকিৎসা সহ বিভিন্ন প্রকারে সহযোগীতা করে যেতেন।
জনাব,ইউছুফ খাঁন,,এলাকার ছোট ছোট বাচ্চাঁদেরকে আদর স্নেহ মায়া মমতা দিয়ে সার্বক্ষণিক খেলাধুলা বিনোদন মুলুক কাজে নিজে নিয়োজিত থাকতেন।
এমনকি তিনি এলাকার মানুষকে হাসি খুশি রাখার জন্য প্রতি বছর আত্বীয় স্বজন,বন্ধু বান্ধব,গ্রামবাসী সহ-বৃদ্ধা মুরব্বী,পাড়ার পর্দার আড়ালের মা ও বোনরা সহ, ছোট বড় সকলকে নিয়ে গ্রামে বনভোজন আয়োজন করতেন এবং জনাব,ইউছুফ খাঁন,তিনি স্কুল মাদ্রাসা ও এতিম খানার দায়ীত্ব থাকা অবস্হায়,গরীব অসহায় স্কুল/মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীদের উপবৃত্তির বই,খাতা কলম,
স্কুল ড্রেস সহ বিভিন্ন প্রকার লেখাপড়ার সহযোগিতা করতেন।
জনাব,ইউছুফ খাঁন,এলাকার বেকার যুবকদের চাকরির সহযোগিতা ও যুবকদের মাদক দ্রব্য মুক্ত রাখার জন্য সার্বক্ষণিক প্রচেষ্টা চালাতেন।
তিনি এলাকার গরীব এতিম মিসকিন বিধবাদের মেয়েদের বিয়েতে আর্থিক সহযোগিতা করতেন।
তিনি আমার জানামতে কোন অসহায় মানুষকে খালি হাতে ফেরত দেন নাই,দিতে না পারলে বলেছেন আরেক দিন আসবেন দেবো।
আজ আমি বিগত একসপ্তা ধরে জনাব,ইউছুফ খাঁনকে মোবাইলে কল দিয়ে না পেয়ে সরাসরি বাড়িতে দেখা করতে গেলে,তার পরিবার থেকে শুনতে পাই,বর্তমান ইউছুফ খাঁন খুবই কষ্টের মধ্যে দিন যাপন করতেছেন।
জনাব,ইউছুফ খাঁনের পরিবার থেকে শুনতে পেলাম, কোন কোনদিন তাদের ঘরে রান্না করার মতো চাউল ছিলনা,তারা সময় সময় না খেয়েও রাত কাটিয়েছেন।
আমি জানতে পারলাম,
জনাব,ইউছুফ খাঁনের মেঝ সন্তানের বয়স দশ বছর,
আর এই সন্তান জায়েদ খাঁন, জন্মকাল থেকে রক্তকরণ রোগে অসুস্হ।
তার সন্তান জায়েদ খাঁনকে প্রায় সময় লক্ষ্য টাকার অধিক ইন্জেকশন ঔষুধ রক্ত দিতে হয়।
এই সন্তান জায়েদ খাঁনের জন্য প্রতি মাসে মাসে ঔষুধ,ইন্জেকশন রক্ত দেওয়া থেকে শুরু করে এক লক্ষ্য থেকে দের লক্ষ্য টাকা, ডাক্তার খরছ জোগাড় করতে হয়,এরমধ্যে পরিবার চালাতে মাসে প্রায় ত্রিশ হাজার টাকার মতো প্রয়োজন হয়।
বর্তমান ইউছুফ খাঁন তার সন্তান জায়েদ খাঁনের রোগের জন্য জন্ম থেকে এই দশ বছরে প্রায় চল্লিশ লক্ষ্য টাকা খরছ করেন।
জনাব,ইউছুফ খাঁন,
পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদারি ও ঢাকায় ব্যক্তীগত কিছু ব্যবসা বাণিজ্য করতেন।
কিন্ত দেশে করোনা ভাইরাস পরিস্হিতির কারনে প্রায় ৬০/৭০ লক্ষ্য টাকা ব্যবসায় লোকশান হয়।
এরপরে তার সন্তান জায়েদের অসুস্হতা আরো বেড়ে যাবার কারনে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকার ঔষুধ,ইন্জেকশন,রক্ত ও চিকিৎসা বাবদ খরছ হয়।
কিন্তু আমার জানামতে, জনাব,ইউছুফ খাঁন,সন্তানের জন্য কোনদিন কারো কাছে সাহায্য চাইনি।
ইউছুফ খাঁন,তার মনের কষ্ট যন্রনা কোন বন্ধু বান্ধব,
আত্বীয় স্বজন,এলাকাবাসীর কাছে প্রকাশ করিনি,
ইউছুফ খাঁন একবুক জ্বালা যন্রনা কষ্ট বেদনা নিয়ে,
তিনি সব সময় মানুষের মাঝে হাসি খুশিতে দিন কাটাতেন।
জনাব,ইউছুফ খাঁনের কাছে এই বিষয়ে কিছু জানতে চাইলে,জনাব,ইউছুফ খাঁন বলেন,আমার এই চরম দুর্দিনে এই বিপদের মাঝে, শুধুমাত্র সহযোগীতা ও আমার পাশে পেয়েছি, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোড ঢাকা খিলক্ষেত এর মেম্বার ইন্জিনিয়র,আমার প্রাণপ্রিয় শ্রদ্ধাভাজন জনাব,ডক্টর দেবাশীষ চক্রবর্তী,আর আমার প্রানপ্রিয়,শ্রদ্ধাভাজন, আংকেল,মানব সম্পদ পরিচালক,জনাব,মোহাম্মদ শহিদুল করিম সাহেবকে।
আমি সার্বক্ষণিক এই দুইজন মানুষের কাছে সহযোগিতা পেয়েছি।
জনাব,ইউছুফ খাঁন আরো বলেন,আমার জীবনে এই দুইজন ব্যক্তির রিং কখনো শোধ করতে পারবোনা।
আমি দোয়া করি এই দুইজন ব্যক্তিকে যেন,মহান আল্লাহ তায়ালা হেফাজত রাখেন,
ও সুস্হ রাখেন,আমিন।
সর্বশেষ শেষ,জনাব,ইউছুফ খাঁন আরো বলেন,
আমি মানুষকে যতটুকু পেরেছি,সারাজীবন সাহায্য সহযোগিতা করে এসেছি, অতএব,আমাকে যদি মানুষের কাছে সাহায্য চাইতে হয়,হাত পাত্বে হই,তাহলে আমার আত্মাহত্যা করা ছাড়া আর কোন উপাই থাকবেনা।
আর সবাই আমার জন্য

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।