ঢাকাসোমবার , ১৯ জুন ২০২৩
  1. অগ্নিকান্ড
  2. অনুষ্ঠান
  3. অপরাধ
  4. অবৈধ বালু উত্তোলন
  5. অভিনন্দন
  6. অর্থনীতি
  7. আইন ও বিচার
  8. আওয়ামী লীগ
  9. আওয়ামী লীগে
  10. আক্রান্ত
  11. আটক
  12. আত্মহত্যা
  13. আদালত
  14. আনন্দ মিছিল
  15. আন্তর্জাতিক
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এদের মত আওয়ামী লীগের নেতারা সংগঠন কে কলংকিত করছে

কামরুল ইসলাম চট্রগ্রাম
জুন ১৯, ২০২৩ ১:১২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

এদের মত আওয়ামী লীগের নেতারা সংগঠন কে কলংকিত করছে

কামরুল ইসলাম

মিরসরাইয়ে রাতের অন্ধকারে দুই ভাসুর ও ভাসুরের ছেলে নিজেদের কে আওয়ামী লীগ নেতা দাবী করে দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন করে আসছিল এক গৃহবধূ কে তাদের এই নির্মম নির্যাতন সহ করতে না পেরে অবশেষে বাড়িছাড়া গৃহবধূ জান্নাতুল ফেরদৌস। ঘটনার পর স্থানীয় জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে ধরনা দিলেও মামলা নেয়নি পুলিশ এতে বুঝা যায় বর্তমান পুলিশ বাহিনী আওয়ামী লীগের হাতে জিন্মি। পরে আদালতে মামলা দায়ের করেও মিলছে না প্রতিকার। জানা গেছে, উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের পশ্চিম জোয়ার গ্রামের আরব আমিরাত প্রবাসী মাহতাব উদ্দিনের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস। এ প্রতিবেদকের কাছে থাকা ঘটনার সময়ের একটি ভিডিও ফুটেজ ও ভয়েস রেকর্ড থেকে জানা যায়, গত ৪ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে বেডরুমে প্রবেশ করে তার ভাসুর মো. তায়েফ উদ্দিন, খায়ের উদ্দিন ও তার ছেলে মিলে অমানবিক নির্যাতন চালায়। এ সময় ফেরদৌসের চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা করে তারা। ভাসুর মো. তায়েফ উদ্দিন স্থানীয় পশ্চিম জোয়ারগঞ্জ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। গৃহবধূ জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, এ ঘটনার পর তার ভাই শাহাদাত হোসেন ও প্রবাসী স্বামী মাহতাব উদ্দিন মুঠোফোনে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের সহায়তা চাইলেও পুলিশ কোন রকম আইনি পদক্ষেপ নেয়নি। বরং উল্টো ওই রাতেই নির্যাতনকারীদের একটি অভিযোগ গ্রহণ করে পুলিশ। পরে ওই গৃহবধূকে রাত আড়াইটার দিকে প্রথমে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করায়।
পরে গত ৮ জুন জান্নাতুল ফেরদৌস বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জুডিশিয়্যাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। ওইদিন সিনিয়র জুডিশ্যিাল ম্যাজিস্ট্রেট জিহান সানজিদার আদালত পরবর্তী ৩ দিনের মধ্যে জোরারগঞ্জ থানার ওসিকে অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গণ্য করে আদালতে দাখিল করার নির্দেশ দিলে ওসি জাহিদ হোসেন এটি গত ১১ জুন এফআইআর হিসেবে সংশ্লিষ্ট আদালতে পেশ করে।
এদিকে মামলার বাদী জান্নাতুল ফেরদৌস অভিযোগ করেন, মামলার আসামিরা সকলেই বাড়িতে অস্থান করছে। বরং আমি নিজে বাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছি। তারা আমাকে বাড়িতেও ঢুকতে দিচ্ছে না। মামলার এক নম্বর আসামি তায়েফ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে না।
তদন্ত কর্মকর্তা জোরারগঞ্জ থানার এসআই নাফিজুল ইসলাম বলেন, ‘এসব অভিযোগ সত্যি নয়, আমি দিনরাত আসামিদের ধরার চেষ্টা করছি। তারা তিনজনই পালিয়ে রয়েছে। তাদের ধরতে আমি আরো একটি সংস্থার সাহায্য চেয়েছি।’ মামলার আসামি খায়ের উদ্দিনকে ফোন দিলে তিনি এলাকায় আছেন বলে জানান এবং তার ভাই তায়েফ বাড়িতে আছেন বলে এ প্রতিবেদককে জানান।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।