ঢাকাSaturday , 21 January 2023
  1. অপরাধ
  2. অভিনন্দন
  3. অর্থনীতি
  4. আইন ও বিচার
  5. আটক
  6. আত্মহত্যা
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আর্থিক সহায়তা
  9. আলোচনা সভা
  10. আহত
  11. উদ্বোধন
  12. এক্সিডেন্ট
  13. ওয়াজ মাহফিল
  14. কৃষি বার্তা
  15. খেলাধুলা

রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি আতঙ্কিত বাঙালি

Link Copied!

রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি আতঙ্কিত বাঙালি

কামরুল ইসলাম চট্টগ্রাম

বান্দরবান পার্বত্য জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু কোনারপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখার রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও আশপাশের মিয়ানমার অংশে আবার গোলাগুলি হচ্ছে। এতে সীমান্তের এপারের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

শুক্রবার রাতে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোহাম্মদ আলম সাংবাদিকদের বলেন, “বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত তমব্রু সীমান্তের শূন্যরেখার রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং আশপাশের এলাকায় মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের সশস্ত্র দুই পক্ষের গোলাগুলি বন্ধ ছিল। কিন্তু শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে আবারও গোলাগুলি শুরু হয়েছে এতে নিরীহ বাঙালী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে ।”

আগের সংঘর্ষের ধারাবাহিকতায় আরাকান রোহিঙ্গা সলিডারিটি অরগানাইজেশনের (আরএসও) এবং আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সদস্যদের মধ্যে এ গোলাগুলি ঘটছে বলে ধারণা করছেন এই ইউপি সদস্য।

তিনি বলেন, “গোলাগুলির কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।”

তবে সীমান্ত পরিস্থিতি শুক্রবার দিনভর শান্ত থাকার কথা বললেও নতুন করে গোলাগুলির খবর অবহিত নন বলে জানিয়েছেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমেন শর্মা।

মিয়ানমারের দু’টি সশস্ত্র গ্রুপ আরএসও ও আরসা বুধবার ঘুমধুমের কোনারপাড়ার শূন্যরেখায় সংঘর্ষে জড়ায় বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয়রা। সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার খবর জানাযায় ।

এরপর স্থানীয় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে ক্যাম্পের শত শত বসতঘর ভস্মীভূত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

এর মধ্যে ফের গোলাগুলির তথ্য জানিয়ে ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলম বলেন, “থেমে থেমে (রাত সোয়া ৮টা পর্যন্ত) সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “শূন্যরেখা থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা তমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং আশপাশের এলাকায় এখনও অবস্থান করছে। তাদেরকে বিজিবি ও পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কড়া নজরদারিতে রেখেছে।”

তমব্রু এলাকার বাসিন্দা ও বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত আজিজুল হক বলেন, “শুক্রবার সকালে সীমান্তের মিয়ানমারের ঢেঁকিবনিয়াস্থ শূন্যরেখায় অবস্থিত কিছু সংখ্যক ঘর আগুনে পুড়তে দেখা গেছে। সেখানকার বাসিন্দারা স্কুল ও আশপাশের এলাক

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।