Dhaka 4:53 am, Thursday, 8 January 2026

স্যার তৌফিক সুলতান একজন শিক্ষাবিদ, লেখক ও সমাজকর্মী

  • Reporter Name
  • Update Time : 05:42:58 am, Tuesday, 12 August 2025
  • 343 Time View

আক্তার উদ্দিন তালুকদার, মনোহরদী, নরসিংদী

তৌফিক স্যার, একজন উদীয়মান লেখক, শিক্ষক ও সমাজকর্মী, যিনি তার বিভিন্ন কর্মের মাধ্যমে আমাদের সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে অগ্রসর হচ্ছেন। বি. জে. এস. এম মডেল কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত তৌফিক সুলতান স্যার তার শিক্ষামূলক কাজের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনে গূরত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছেন। তার পাঠদান শুধুমাত্র তাত্ত্বিক জ্ঞানে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধে গভীরভাবে প্রভাবিত করেন। আমরা আরও জানতে পারি তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহ দিতে অনেক সময় উপহার ও বছর সেরা শিক্ষার্থী ঘোষণা ও সার্টিফিকেট দিয়ে থাকেন। তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী করতে পড়াশোনা কে সহজ ভাবে উপস্থাপন করেন। এইভাবে তিনি শিক্ষার্থীদের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।
তৌফিক সুলতান স্যার তার লেখার মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন সমস্যার প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন। তিনি প্রবন্ধ, কলাম ও কবিতার মাধ্যমে নানা সামাজিক ও শিক্ষাগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন, যা পাঠকদের চিন্তাধারা গঠন ও উন্নয়নে সহায়ক হয়ে থাকে। তার লেখা বিভিন্ন সংবাদপত্রে নিয়মিত প্রকাশিত হয় এবং তা ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তৌফিক সুলতান স্যারের লেখার মূল উদ্দেশ্য হল সমাজে সচেতনতা তৈরি করা এবং শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের চিন্তা-চেতনায় পরিবর্তন আনা।
তাছাড়া, তৌফিক সুলতান স্যার সমাজসেবা ক্ষেত্রেও অসাধারণ অবদান রাখছেন।
তিনি “ওয়েলফশন হিউম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন”-এর CEO হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন, যার মাধ্যমে গ্রামের দরিদ্র জনগণের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। তৌফিক সুলতান স্যারের এসব উদ্যোগ সমাজে মানবিক মূল্যবোধ প্রচারের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তৌফিক সুলতান স্যার তার কর্মের মাধ্যমে আমাদের সমাজে নতুন এক দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং তার অবদান ভবিষ্যতে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও সমাজে আরও ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। তাঁর শিক্ষা, লেখা এবং সমাজসেবামূলক কাজের মাধ্যমে তিনি অনেকের প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছেন।
মঞ্জিল স্যার বলেন, স্যার তৌফিক সুলতান একজন নিবেদিতপ্রাণ লেখক, শিক্ষক, গবেষক ও সমাজসেবক—কিন্তু আমার কাছে তিনি তার চেয়েও অনেক বেশি। একসময় তিনি ছিলেন আমার ছাত্র, প্রাইভেট পড়তেন আমার কাছেই। আজ তিনি আমার কলেজ ব্রেভ জুবিল্যান্ট স্কলার্স অফ মনোহরদী মডেল কলেজ (বি.জে.এস.এম মডেল কলেজ)-এর প্রভাষক হিসেবে কাজ করছেন। তাঁর এই যাত্রাপথ আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি—একজন মেধাবী, ভদ্র, আত্মমর্যাদাবান ছাত্র থেকে শুরু করে আজকের সমাজচিন্তক লেখক ও প্রিয় শিক্ষক হয়ে ওঠার গল্পটা আমার জন্য এক বিশেষ অভিজ্ঞতা।
গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বারিষাব গ্রামে ৪ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৯ সালে জন্ম নেওয়া তৌফিক সুলতান স্যার বর্তমানে শিক্ষাক্ষেত্র, সাহিত্য ও সমাজকল্যাণে এক আলোকবর্তিকা। তিনি আব্দুল করিম ও ফাতেমা বেগমের সুযোগ্য সন্তান।
বর্তমানে তিনি ভাওয়াল ইসলামিক ক্যাডেট একাডেমির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ওয়েলফশন মানবকল্যাণ সংঘের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে সমাজ উন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে চলেছেন। পাশাপাশি, বিকা ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব এন্ড স্টাডি সেন্টার এর প্রেসিডেন্সিয়াল সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর লেখালেখিতে রয়েছে জ্ঞানের গভীরতা, আত্মমর্যাদাবোধ, মানবিকতা এবং ইসলামী মূল্যবোধের সমন্বয়। তিনি নিয়মিত জাতীয় পত্রপত্রিকা ও অনলাইন মাধ্যমে লিখে থাকেন।
তৌফিক স্যার শুধু আমার সহকর্মী নন—তিনি আমার ছোট ভাইয়ের মতো, আমার শিক্ষাজীবনের এক উজ্জ্বল প্রাপ্তি।
আমি গর্বের সঙ্গে বলিতৌফিক সুলতান সেই শিক্ষার্থী, যিনি হৃদয়ে আলো বহন করেছিলেন বলেই আজ সমাজকে আলোকিত করছেন। আর তার নিজের বিশ্বাস “একটি কলম পারে একটি জাতিকে জাগিয়ে তুলতে, একটি চিন্তা পারে একটি প্রজন্মকে আলোকিত করতে।”
 মঞ্জিল মোল্লা প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ, বিজেএসএম মডেল কলেজ এম.ফিল গবেষক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বি.এ (সম্মান), এম.এ (ইংরেজি); বি.এড., এম.এ., এম.এড ইন টিসল (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) তৌফিক সুলতান স্যার শুধু একজন শিক্ষক নন, তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম। তাঁর শিক্ষাদান পদ্ধতি যেমন সহজবোধ্য ও প্রাণবন্ত, তেমনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহী করে তোলার জন্য তিনি ব্যবহার করেন বিশেষ উদ্যোগ। তিনি প্রায়ই শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে বছরের সেরা শিক্ষার্থী ঘোষণা করেন এবং সম্মানসূচক সার্টিফিকেট ও উপহার প্রদান করেন। এই ছোট্ট স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের মনে বড় অনুপ্রেরণা জাগায়, যা তাদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী করে তোলে।
তৌফিক সুলতান স্যার জটিল বিষয়গুলোও এমনভাবে উপস্থাপন করেন, যাতে শিক্ষার্থীরা সহজেই বুঝতে পারে এবং শিখতে আগ্রহী হয়। তাঁর ক্লাসে শুধু পাঠ্যবই নয়, বাস্তব জীবনের উদাহরণ, গল্প, এমনকি হাস্যরসের মাধ্যমেও শিক্ষা দেওয়া হয়, যা শিক্ষার্থীদের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলে।
শিক্ষার্থীদের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা, যত্ন এবং অনন্য শিক্ষাদান পদ্ধতি তাঁকে শিক্ষার্থীদের কাছে অতি প্রিয় করে তুলেছে। অনেক শিক্ষার্থীই বলেন স্যারের ক্লাস মানেই শেখার আনন্দ। একজন ভালো শিক্ষক কেবল পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞান দেন না, তিনি শিক্ষার্থীদের মনে শেখার প্রতি ভালোবাসা জাগিয়ে তোলেন। তৌফিক সুলতান স্যার সেই উজ্জ্বল উদাহরণ, যিনি তাঁর কর্মে প্রমাণ করেছেন—প্রেরণা ও ভালোবাসা দিয়েই সত্যিকারের শিক্ষা সম্ভব।
Tag :
সম্পাদক ও প্রকাশক : আবুল হাসান

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

ঠাকুরগাঁওয়ে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির সভা

স্যার তৌফিক সুলতান একজন শিক্ষাবিদ, লেখক ও সমাজকর্মী

Update Time : 05:42:58 am, Tuesday, 12 August 2025

আক্তার উদ্দিন তালুকদার, মনোহরদী, নরসিংদী

তৌফিক স্যার, একজন উদীয়মান লেখক, শিক্ষক ও সমাজকর্মী, যিনি তার বিভিন্ন কর্মের মাধ্যমে আমাদের সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে অগ্রসর হচ্ছেন। বি. জে. এস. এম মডেল কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত তৌফিক সুলতান স্যার তার শিক্ষামূলক কাজের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনে গূরত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছেন। তার পাঠদান শুধুমাত্র তাত্ত্বিক জ্ঞানে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধে গভীরভাবে প্রভাবিত করেন। আমরা আরও জানতে পারি তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহ দিতে অনেক সময় উপহার ও বছর সেরা শিক্ষার্থী ঘোষণা ও সার্টিফিকেট দিয়ে থাকেন। তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী করতে পড়াশোনা কে সহজ ভাবে উপস্থাপন করেন। এইভাবে তিনি শিক্ষার্থীদের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।
তৌফিক সুলতান স্যার তার লেখার মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন সমস্যার প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন। তিনি প্রবন্ধ, কলাম ও কবিতার মাধ্যমে নানা সামাজিক ও শিক্ষাগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন, যা পাঠকদের চিন্তাধারা গঠন ও উন্নয়নে সহায়ক হয়ে থাকে। তার লেখা বিভিন্ন সংবাদপত্রে নিয়মিত প্রকাশিত হয় এবং তা ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তৌফিক সুলতান স্যারের লেখার মূল উদ্দেশ্য হল সমাজে সচেতনতা তৈরি করা এবং শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের চিন্তা-চেতনায় পরিবর্তন আনা।
তাছাড়া, তৌফিক সুলতান স্যার সমাজসেবা ক্ষেত্রেও অসাধারণ অবদান রাখছেন।
তিনি “ওয়েলফশন হিউম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন”-এর CEO হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন, যার মাধ্যমে গ্রামের দরিদ্র জনগণের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। তৌফিক সুলতান স্যারের এসব উদ্যোগ সমাজে মানবিক মূল্যবোধ প্রচারের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তৌফিক সুলতান স্যার তার কর্মের মাধ্যমে আমাদের সমাজে নতুন এক দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং তার অবদান ভবিষ্যতে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও সমাজে আরও ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। তাঁর শিক্ষা, লেখা এবং সমাজসেবামূলক কাজের মাধ্যমে তিনি অনেকের প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছেন।
মঞ্জিল স্যার বলেন, স্যার তৌফিক সুলতান একজন নিবেদিতপ্রাণ লেখক, শিক্ষক, গবেষক ও সমাজসেবক—কিন্তু আমার কাছে তিনি তার চেয়েও অনেক বেশি। একসময় তিনি ছিলেন আমার ছাত্র, প্রাইভেট পড়তেন আমার কাছেই। আজ তিনি আমার কলেজ ব্রেভ জুবিল্যান্ট স্কলার্স অফ মনোহরদী মডেল কলেজ (বি.জে.এস.এম মডেল কলেজ)-এর প্রভাষক হিসেবে কাজ করছেন। তাঁর এই যাত্রাপথ আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি—একজন মেধাবী, ভদ্র, আত্মমর্যাদাবান ছাত্র থেকে শুরু করে আজকের সমাজচিন্তক লেখক ও প্রিয় শিক্ষক হয়ে ওঠার গল্পটা আমার জন্য এক বিশেষ অভিজ্ঞতা।
গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বারিষাব গ্রামে ৪ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৯ সালে জন্ম নেওয়া তৌফিক সুলতান স্যার বর্তমানে শিক্ষাক্ষেত্র, সাহিত্য ও সমাজকল্যাণে এক আলোকবর্তিকা। তিনি আব্দুল করিম ও ফাতেমা বেগমের সুযোগ্য সন্তান।
বর্তমানে তিনি ভাওয়াল ইসলামিক ক্যাডেট একাডেমির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ওয়েলফশন মানবকল্যাণ সংঘের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে সমাজ উন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে চলেছেন। পাশাপাশি, বিকা ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব এন্ড স্টাডি সেন্টার এর প্রেসিডেন্সিয়াল সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর লেখালেখিতে রয়েছে জ্ঞানের গভীরতা, আত্মমর্যাদাবোধ, মানবিকতা এবং ইসলামী মূল্যবোধের সমন্বয়। তিনি নিয়মিত জাতীয় পত্রপত্রিকা ও অনলাইন মাধ্যমে লিখে থাকেন।
তৌফিক স্যার শুধু আমার সহকর্মী নন—তিনি আমার ছোট ভাইয়ের মতো, আমার শিক্ষাজীবনের এক উজ্জ্বল প্রাপ্তি।
আমি গর্বের সঙ্গে বলিতৌফিক সুলতান সেই শিক্ষার্থী, যিনি হৃদয়ে আলো বহন করেছিলেন বলেই আজ সমাজকে আলোকিত করছেন। আর তার নিজের বিশ্বাস “একটি কলম পারে একটি জাতিকে জাগিয়ে তুলতে, একটি চিন্তা পারে একটি প্রজন্মকে আলোকিত করতে।”
 মঞ্জিল মোল্লা প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ, বিজেএসএম মডেল কলেজ এম.ফিল গবেষক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বি.এ (সম্মান), এম.এ (ইংরেজি); বি.এড., এম.এ., এম.এড ইন টিসল (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) তৌফিক সুলতান স্যার শুধু একজন শিক্ষক নন, তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম। তাঁর শিক্ষাদান পদ্ধতি যেমন সহজবোধ্য ও প্রাণবন্ত, তেমনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহী করে তোলার জন্য তিনি ব্যবহার করেন বিশেষ উদ্যোগ। তিনি প্রায়ই শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে বছরের সেরা শিক্ষার্থী ঘোষণা করেন এবং সম্মানসূচক সার্টিফিকেট ও উপহার প্রদান করেন। এই ছোট্ট স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের মনে বড় অনুপ্রেরণা জাগায়, যা তাদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী করে তোলে।
তৌফিক সুলতান স্যার জটিল বিষয়গুলোও এমনভাবে উপস্থাপন করেন, যাতে শিক্ষার্থীরা সহজেই বুঝতে পারে এবং শিখতে আগ্রহী হয়। তাঁর ক্লাসে শুধু পাঠ্যবই নয়, বাস্তব জীবনের উদাহরণ, গল্প, এমনকি হাস্যরসের মাধ্যমেও শিক্ষা দেওয়া হয়, যা শিক্ষার্থীদের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলে।
শিক্ষার্থীদের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা, যত্ন এবং অনন্য শিক্ষাদান পদ্ধতি তাঁকে শিক্ষার্থীদের কাছে অতি প্রিয় করে তুলেছে। অনেক শিক্ষার্থীই বলেন স্যারের ক্লাস মানেই শেখার আনন্দ। একজন ভালো শিক্ষক কেবল পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞান দেন না, তিনি শিক্ষার্থীদের মনে শেখার প্রতি ভালোবাসা জাগিয়ে তোলেন। তৌফিক সুলতান স্যার সেই উজ্জ্বল উদাহরণ, যিনি তাঁর কর্মে প্রমাণ করেছেন—প্রেরণা ও ভালোবাসা দিয়েই সত্যিকারের শিক্ষা সম্ভব।