Dhaka 4:21 am, Wednesday, 14 January 2026

নরসিংদীর কেয়া স্বামীর হাতে খুন

  • Reporter Name
  • Update Time : 11:23:22 am, Thursday, 14 August 2025
  • 421 Time View
আল আমিন মিয়া, স্টাফ রিপোর্টার নরসিংদী
রাজধানীর শেওড়াপাড়া এলাকায় এক হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ডে নরসিংদীর কেয়া (২৫) নামের চার সন্তানের জননী নিহত হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে— তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে স্বামী সিফাত আলী (২৮)।
কেয়ার মা নাজমা বেগম জানান, গতকাল রাত আনুমানিক সোয়া ১টার দিকে জামাতা সিফাত ফোন দিয়ে বলেন— “তাড়াতাড়ি বাসায় আসেন, কেয়া আর নেই”। প্রথমে একটি হাসপাতালের ঠিকানা দিলেও পরে মত পাল্টে বিআরবি হাসপাতালে যেতে বলেন। সেখানে পৌঁছে কেয়ার পরিবার দেখতে পান, তিনি মৃত।
কেয়া ছিলেন তিন মেয়ে ও এক ছেলের মা। সবচেয়ে ছোট সন্তানের বয়স মাত্র দেড় বছর। প্রায় ১২ বছর আগে তার বিয়ে হয় সিফাত আলীর সঙ্গে। পরিবারের অভিযোগ— হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে এবং বেপরোয়া জীবনের কারণে সিফাত এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। কেয়ার এক আত্মীয় মোস্তাফিজুর রহমান মুন্না বলেন”বড়লোকের আদরে বখে যাওয়া এই ছেলে আমার বোনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে।”
প্রাথমিক ময়নাতদন্তে জানা গেছে— শ্বাসরোধেই কেয়ার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে, তবে অভিযুক্ত স্বামী এখনো পলাতক। কেয়ার বাবার বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার পলশতলী ইউনিয়নের খাকচক গ্রামে। বাবা আল মাহমুদ রফিক মেয়ে হত্যার বিচার দাবি করে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
এই হত্যাকাণ্ডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। সবাই বলছে— “কেয়া ছিল হাসিখুশি, পরোপকারী, সবার আপন”। ছোট্ট চার সন্তানের দিকে তাকিয়ে বুক ফেটে যাচ্ছে স্বজনদের কান্না।
Tag :
সম্পাদক ও প্রকাশক : আবুল হাসান

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

গ্যাস সংকট তীব্র: এলপিজি আমদানিতে শিথিলতা আনল বাংলাদেশ ব্যাংক

নরসিংদীর কেয়া স্বামীর হাতে খুন

Update Time : 11:23:22 am, Thursday, 14 August 2025
আল আমিন মিয়া, স্টাফ রিপোর্টার নরসিংদী
রাজধানীর শেওড়াপাড়া এলাকায় এক হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ডে নরসিংদীর কেয়া (২৫) নামের চার সন্তানের জননী নিহত হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে— তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে স্বামী সিফাত আলী (২৮)।
কেয়ার মা নাজমা বেগম জানান, গতকাল রাত আনুমানিক সোয়া ১টার দিকে জামাতা সিফাত ফোন দিয়ে বলেন— “তাড়াতাড়ি বাসায় আসেন, কেয়া আর নেই”। প্রথমে একটি হাসপাতালের ঠিকানা দিলেও পরে মত পাল্টে বিআরবি হাসপাতালে যেতে বলেন। সেখানে পৌঁছে কেয়ার পরিবার দেখতে পান, তিনি মৃত।
কেয়া ছিলেন তিন মেয়ে ও এক ছেলের মা। সবচেয়ে ছোট সন্তানের বয়স মাত্র দেড় বছর। প্রায় ১২ বছর আগে তার বিয়ে হয় সিফাত আলীর সঙ্গে। পরিবারের অভিযোগ— হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে এবং বেপরোয়া জীবনের কারণে সিফাত এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। কেয়ার এক আত্মীয় মোস্তাফিজুর রহমান মুন্না বলেন”বড়লোকের আদরে বখে যাওয়া এই ছেলে আমার বোনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে।”
প্রাথমিক ময়নাতদন্তে জানা গেছে— শ্বাসরোধেই কেয়ার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে, তবে অভিযুক্ত স্বামী এখনো পলাতক। কেয়ার বাবার বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার পলশতলী ইউনিয়নের খাকচক গ্রামে। বাবা আল মাহমুদ রফিক মেয়ে হত্যার বিচার দাবি করে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
এই হত্যাকাণ্ডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। সবাই বলছে— “কেয়া ছিল হাসিখুশি, পরোপকারী, সবার আপন”। ছোট্ট চার সন্তানের দিকে তাকিয়ে বুক ফেটে যাচ্ছে স্বজনদের কান্না।