
মোঃ শাহজাহান বাশার, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার
ছাত্র রাজনীতি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তবে সময়ের পরিবর্তনে এই ছাত্র রাজনীতি নানা অভিযোগে কলঙ্কিত হয়েছে। বিশেষ করে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচিত। সম্প্রতি নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না ছাত্র রাজনীতির দুর্নীতির সূচনালগ্ন সম্পর্কে খোলামেলা মন্তব্য করেছেন।
মান্না বলেন, “যখন ১১ দফার আন্দোলন চলছিল, তখনই ছাত্র রাজনীতিতে দুর্নীতির বীজ বপন হতে শুরু করে। সেই সময় তোফায়েল আহমদ সাহেব পল্টন ময়দানে বক্তৃতা দিয়েছিলেন যে, চাঁদাবাজি শুরু হয়েছে। তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, আমাদের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে কোন ধরনের চাঁদাবাজি করা হয় না।”
তিনি আরও যোগ করেন, “পরে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল। তবে ধারাবাহিকভাবে দেখা গেছে, যখনই দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভেঙে পড়েছে, তখন ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে এই ধরনের দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। হিযবুল বাহার থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়েই এর পুনরাবৃত্তি হয়েছে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, ছাত্র রাজনীতির মূল শক্তি একসময় ছিল আদর্শ ও আন্দোলন, কিন্তু আজ সেটি নানা অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। মান্নার এই বক্তব্য সেই বাস্তবতাকেই আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।
ছাত্র রাজনীতির গৌরবোজ্জ্বল অতীতের সঙ্গে বর্তমানের কলঙ্কজনক বাস্তবতার তুলনা টেনে মান্নার বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছাত্র রাজনীতিকে আবারও আদর্শিক ধারায় ফিরিয়ে না আনা গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে সবচেয়ে বেশি।
Reporter Name 
























