Dhaka 4:22 pm, Wednesday, 15 April 2026

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন ২ বিজিবির ৭৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

  • Reporter Name
  • Update Time : 11:04:21 am, Tuesday, 28 October 2025
  • 164 Time View
নুরুল আলম, টেকনাফ
স্মরণকালের অতিথের সকল রেকর্ড অতিক্রম করে ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করলো টেকনাফ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন টেকনাফ ২বিজিবি। ২৭ অক্টোবর (সোমবার) দুপুর ১২টায় বিজিবির সদর দপ্তর ময়দানে দৃষ্টিনন্দন পেল্ডল মিলনায়তনে বৃহৎ আকারের কেক কাটার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রীতিভোজ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,কক্সবাজার জেলার রিজিয়ানের সেক্টর কমান্ডার লেঃকর্নেল মহিউদ্দীন আহমেদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার র‍্যাব-১৫ অধিনায়ক কামরুল হাসান, টেকনাফ ২বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আশিকুর রহমান,উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ জসীমউদ্দিন,আর্ম ব্যাটেলিয়ানের অধিনায়ক সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ।বিজিবির মুখপত্র টেকনাফ ব্যাটালিয়ান২বিজিবির অতীত ও বর্তমান কৃতকর্ম এবং সফলতা প্রজেক্টরের মাধ্যমে তুলে ধরে বলেন,সীমান্তে দীর্ঘ ৪,৪২৭কিলোমিটার সীমান্তরেখা সুরক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞায় স্বাধীনতার আজ পর্যন্ত, দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় “সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী” আধুনিক,সুশৃংখল,অপ্রতিরোধ্য-বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ।৭১স্বাধীনতা যোদ্ধাদের উত্তরসূরি এ ব্যাটালিয়ন যাত্রা শুরু করে ১৯৪৮ সালের ২৭ অক্টোবর। আজকের এই দিনে ময়মনসিংহের খাগডহরে এ ব্যাটালিয়নটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ৭৭ বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসে,৩৪ জন বীর সেনানীর রক্তে লেখা আমাদের মুক্তির গল্প।বহু সাহসী যোদ্ধা পেয়েছে ‘বীর প্রতীক’ তাদের আত্মত্যাগে প্রতিটি সূর্যোদয়ে।
১৯৭৯-১৯৮০ সালে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এ ব্যাটালিয়নের পাঁচ সদস্য শাহাদাত বরণ করে। ১৯৯৯ সালে অর্জন করে ‘বাংলাদেশ রাইফেলস্ স্ট্যান্ডার্ড পদক। অপারেশন দাবানল,পাঞ্চিং টাইগার,পূর্ব প্রাচীর-তিনটি ঐতিহাসিক অভিযানে লেখা বিজয়ের স্বাক্ষর। ২০১৫ সালের ১৫ নভেম্বর টেকনাফের কৌশলগত ভূমিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রতিটি দিন ও রাত দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সাথে রক্ষিত হচ্ছে এই ভূমি। সততা,আনুগত্য, নিষ্ঠা,শৃঙ্খলা-২বিজিবি’র প্রতিটি সদস্যের মূল ভিত্তি। সীমান্ত সুরক্ষা, জাতীয় স্বার্থ ও মাদকবিরোধী যুদ্ধ-প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাটালিয়ন হয়ে উঠেছে “জাতির গর্ব ও আস্থা”।বিজিবির ইতিহাসে প্রথম ও একমাত্র ইউনিট হিসেবে অত্যাধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা স্থাপন করে ৩০ কিলোমিটার উপকূল এবং ২৩ কিলোমিটার সমুদ্রসীমা নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। মাদকের বিরুদ্ধে অন্তহীন যুদ্ধে ২০১৬, ২০১৭, ২০১৮- টানা তিন বছর “বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি”জয়ের অভূতপূর্ব কীর্তি। ক্রিস্টাল মেথ আইস, ইয়াবা-এই মরণ বিষের বিরুদ্ধে নিরলস যুদ্ধে ‘অপ্রতিরোধ্য শক্তি ‘টেকনাফ ব্যাটালিয়নে রয়েছে  সাফল্যের অবিশ্বাস্য পরিসংখ্যান।
২০২৪ সালের ১অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মাত্র এক বছরে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন সফলভাবে ১৭৯ জন আসামি গ্রেফতার ও উদ্ধার করেছে ২.০৮৮০৩ কেজি স্বর্ণ,জব্দ করেছে ৪.২০৬ কেজি ক্রিস্টাল মেথ আইস,আটক করেছে ৫৭ লক্ষাধিক ইয়াবা ট্যাবলেট এবং নিষ্ক্রিয় করেছে দেশী-বিদেশী অস্ত্র- এ-৩ রাইফেল-৩ টি,এলজি-৪টি,বিদেশী পিস্তল-০৪টি,ওয়ান সুটার গান-০৫টি, রামদা-০৮টি, দেশীয় কিরিচ-০৮টি, এক নলা বন্দুক-২টি,চাকু-০৪টি, চাপাতি-০১টি ও চাইনিজ কুড়াল-১টি। এছাড়াও উদ্ধার করা হয়েছে গ্রেনেড-৪টি,রকেট বোম্ব-১টি, তাঁজা গুলি-৬৬৭ রাউন্ড,কম্পাস-১টি, ম্যাগাজিন৪টি,রকেট লাঞ্চারের গোলা-১টি,খালি ম্যাগাজিন-৪টি, প্লাষ্টিকের ম্যাগাজিন-১টি, হাত বোমা-৬৯টি, বোমা তৈরির সরঞ্জামাদি-২.৯ কেজি,পিস্তলের গুলি-০১টি, ওয়ান সুটার গান গুলি-০৬টি ও  এক নলা বন্দুকের গুলি-২টি। এক বছরে ২১৮ কোটি ২৪ লাখ ৯৮ হাজার টাকা মূল্যের মাদক ও চোরাচালান জব্দ করেছে এ ব্যাটালিয়ন।
মায়ানমারের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ৩৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত করেছে।গত এক বছরে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন অপহরণকৃত ৩৮৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং ৮৭ জন মানবপাচারকারীকে আটক করে  বিজিবির নিরলস প্রচেষ্টায় আরাকান আর্মির নিকট আটককৃত১২৪ জন বাংলাদেশি জেলে,কয়েক কোটি টাকা মূল্যের ১৮ টি নৌকা ও বিপুল পরিমান জাল ফেরত আনা হয়েছে। এছাড়াও মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন ৪৪০ জনকে শীতবস্ত্র বিতরণ, ৮টি মেডিকেল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ১০৯৭ জনকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে এবং বিভিন্ন সময়ে প্রান্তিক পর্যায়ে প্রায় ১০০০ জন অসহায় মানুষকে আর্থিক সহায়তা প্রধান করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আশিকুর রহমান,পিএসসি বলেন, ‘‘যতদিন উড়বে লাল-সবুজ পতাকা, ততদিন আমরা দেশের সর্বদক্ষিণ সীমান্তের দুর্ভেদ্য প্রাচীর।প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই মহেন্দ্র ক্ষণে যাদের আত্মত্যাগে,যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ টেকনাফ ব্যাটালিয়ন এই মর্যাদায় আসীন-তাঁদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ।
Tag :
সম্পাদক ও প্রকাশক : আবুল হাসান

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

আজ থেকে বঙ্গোপসাগরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন ২ বিজিবির ৭৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

Update Time : 11:04:21 am, Tuesday, 28 October 2025
নুরুল আলম, টেকনাফ
স্মরণকালের অতিথের সকল রেকর্ড অতিক্রম করে ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করলো টেকনাফ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন টেকনাফ ২বিজিবি। ২৭ অক্টোবর (সোমবার) দুপুর ১২টায় বিজিবির সদর দপ্তর ময়দানে দৃষ্টিনন্দন পেল্ডল মিলনায়তনে বৃহৎ আকারের কেক কাটার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রীতিভোজ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,কক্সবাজার জেলার রিজিয়ানের সেক্টর কমান্ডার লেঃকর্নেল মহিউদ্দীন আহমেদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার র‍্যাব-১৫ অধিনায়ক কামরুল হাসান, টেকনাফ ২বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আশিকুর রহমান,উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ জসীমউদ্দিন,আর্ম ব্যাটেলিয়ানের অধিনায়ক সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ।বিজিবির মুখপত্র টেকনাফ ব্যাটালিয়ান২বিজিবির অতীত ও বর্তমান কৃতকর্ম এবং সফলতা প্রজেক্টরের মাধ্যমে তুলে ধরে বলেন,সীমান্তে দীর্ঘ ৪,৪২৭কিলোমিটার সীমান্তরেখা সুরক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞায় স্বাধীনতার আজ পর্যন্ত, দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় “সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী” আধুনিক,সুশৃংখল,অপ্রতিরোধ্য-বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ।৭১স্বাধীনতা যোদ্ধাদের উত্তরসূরি এ ব্যাটালিয়ন যাত্রা শুরু করে ১৯৪৮ সালের ২৭ অক্টোবর। আজকের এই দিনে ময়মনসিংহের খাগডহরে এ ব্যাটালিয়নটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ৭৭ বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসে,৩৪ জন বীর সেনানীর রক্তে লেখা আমাদের মুক্তির গল্প।বহু সাহসী যোদ্ধা পেয়েছে ‘বীর প্রতীক’ তাদের আত্মত্যাগে প্রতিটি সূর্যোদয়ে।
১৯৭৯-১৯৮০ সালে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এ ব্যাটালিয়নের পাঁচ সদস্য শাহাদাত বরণ করে। ১৯৯৯ সালে অর্জন করে ‘বাংলাদেশ রাইফেলস্ স্ট্যান্ডার্ড পদক। অপারেশন দাবানল,পাঞ্চিং টাইগার,পূর্ব প্রাচীর-তিনটি ঐতিহাসিক অভিযানে লেখা বিজয়ের স্বাক্ষর। ২০১৫ সালের ১৫ নভেম্বর টেকনাফের কৌশলগত ভূমিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রতিটি দিন ও রাত দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সাথে রক্ষিত হচ্ছে এই ভূমি। সততা,আনুগত্য, নিষ্ঠা,শৃঙ্খলা-২বিজিবি’র প্রতিটি সদস্যের মূল ভিত্তি। সীমান্ত সুরক্ষা, জাতীয় স্বার্থ ও মাদকবিরোধী যুদ্ধ-প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাটালিয়ন হয়ে উঠেছে “জাতির গর্ব ও আস্থা”।বিজিবির ইতিহাসে প্রথম ও একমাত্র ইউনিট হিসেবে অত্যাধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা স্থাপন করে ৩০ কিলোমিটার উপকূল এবং ২৩ কিলোমিটার সমুদ্রসীমা নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। মাদকের বিরুদ্ধে অন্তহীন যুদ্ধে ২০১৬, ২০১৭, ২০১৮- টানা তিন বছর “বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি”জয়ের অভূতপূর্ব কীর্তি। ক্রিস্টাল মেথ আইস, ইয়াবা-এই মরণ বিষের বিরুদ্ধে নিরলস যুদ্ধে ‘অপ্রতিরোধ্য শক্তি ‘টেকনাফ ব্যাটালিয়নে রয়েছে  সাফল্যের অবিশ্বাস্য পরিসংখ্যান।
২০২৪ সালের ১অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মাত্র এক বছরে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন সফলভাবে ১৭৯ জন আসামি গ্রেফতার ও উদ্ধার করেছে ২.০৮৮০৩ কেজি স্বর্ণ,জব্দ করেছে ৪.২০৬ কেজি ক্রিস্টাল মেথ আইস,আটক করেছে ৫৭ লক্ষাধিক ইয়াবা ট্যাবলেট এবং নিষ্ক্রিয় করেছে দেশী-বিদেশী অস্ত্র- এ-৩ রাইফেল-৩ টি,এলজি-৪টি,বিদেশী পিস্তল-০৪টি,ওয়ান সুটার গান-০৫টি, রামদা-০৮টি, দেশীয় কিরিচ-০৮টি, এক নলা বন্দুক-২টি,চাকু-০৪টি, চাপাতি-০১টি ও চাইনিজ কুড়াল-১টি। এছাড়াও উদ্ধার করা হয়েছে গ্রেনেড-৪টি,রকেট বোম্ব-১টি, তাঁজা গুলি-৬৬৭ রাউন্ড,কম্পাস-১টি, ম্যাগাজিন৪টি,রকেট লাঞ্চারের গোলা-১টি,খালি ম্যাগাজিন-৪টি, প্লাষ্টিকের ম্যাগাজিন-১টি, হাত বোমা-৬৯টি, বোমা তৈরির সরঞ্জামাদি-২.৯ কেজি,পিস্তলের গুলি-০১টি, ওয়ান সুটার গান গুলি-০৬টি ও  এক নলা বন্দুকের গুলি-২টি। এক বছরে ২১৮ কোটি ২৪ লাখ ৯৮ হাজার টাকা মূল্যের মাদক ও চোরাচালান জব্দ করেছে এ ব্যাটালিয়ন।
মায়ানমারের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ৩৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত করেছে।গত এক বছরে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন অপহরণকৃত ৩৮৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং ৮৭ জন মানবপাচারকারীকে আটক করে  বিজিবির নিরলস প্রচেষ্টায় আরাকান আর্মির নিকট আটককৃত১২৪ জন বাংলাদেশি জেলে,কয়েক কোটি টাকা মূল্যের ১৮ টি নৌকা ও বিপুল পরিমান জাল ফেরত আনা হয়েছে। এছাড়াও মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন ৪৪০ জনকে শীতবস্ত্র বিতরণ, ৮টি মেডিকেল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ১০৯৭ জনকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে এবং বিভিন্ন সময়ে প্রান্তিক পর্যায়ে প্রায় ১০০০ জন অসহায় মানুষকে আর্থিক সহায়তা প্রধান করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আশিকুর রহমান,পিএসসি বলেন, ‘‘যতদিন উড়বে লাল-সবুজ পতাকা, ততদিন আমরা দেশের সর্বদক্ষিণ সীমান্তের দুর্ভেদ্য প্রাচীর।প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই মহেন্দ্র ক্ষণে যাদের আত্মত্যাগে,যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ টেকনাফ ব্যাটালিয়ন এই মর্যাদায় আসীন-তাঁদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ।