Dhaka 3:59 am, Thursday, 12 March 2026

স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আশা অপূর্ণ, রোহিঙ্গাদের ক্ষোভ বাড়ছে।

  • Reporter Name
  • Update Time : 05:48:35 am, Wednesday, 18 February 2026
  • 113 Time View
টেকনাফ প্রতিনিধি:
স্বদেশে নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের আশা জাগিয়েও প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়ায় রোহিঙ্গাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। বছরের পর বছর অনিশ্চয়তা, নাগরিকত্বহীনতা ও নিরাপত্তাহীনতার বোঝা বয়ে চলেছেন তারা। বহুবার আশ্বাস দেওয়া হলেও কার্যকর উদ্যোগ ও দৃশ্যমান অগ্রগতি এখনও অধরা বলে অভিযোগ রোহিঙ্গাদের।
শরণার্থী শিবিরগুলোতে বসবাসরত রোহিঙ্গারা জানান, প্রত্যাবাসনের কথা বারবার শোনা গেলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন নেই। ফলে হতাশা দিন দিন ঘনীভূত হচ্ছে। তাদের দাবি, শুধু কথার ফুলঝুরি নয়—প্রয়োজন বাস্তব ও টেকসই সমাধান।
রোহিঙ্গাদের স্পষ্ট বক্তব্য, মর্যাদা, নিরাপত্তা ও নাগরিকত্বের নিশ্চয়তাসহ নিজ দেশে নিরাপদ প্রত্যাবর্তনই একমাত্র সমাধান। তারা প্রশ্ন তুলেছেন—আর কতদিন অপেক্ষা করতে হবে?
এদিকে দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা সংকটের ভার বহন করা উখিয়া ও টেকনাফ এলাকার স্থানীয় মানুষের ভাগ্যও তেমন বদলায়নি। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, পরিবেশগত চাপ ও নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগে তারাও চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন।
রোহিঙ্গাদের কণ্ঠে এখন একটাই দাবি—
“আর নয় প্রতিশ্রুতি, চাই বাস্তব উদ্যোগ।
নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মর্যাদাসহ
নিজের দেশে নিরাপদ প্রত্যাবর্তন—এটাই একমাত্র সমাধান।”
Tag :
সম্পাদক ও প্রকাশক : আবুল হাসান

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার এনআইডি সংশোধন আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে

স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আশা অপূর্ণ, রোহিঙ্গাদের ক্ষোভ বাড়ছে।

Update Time : 05:48:35 am, Wednesday, 18 February 2026
টেকনাফ প্রতিনিধি:
স্বদেশে নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের আশা জাগিয়েও প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়ায় রোহিঙ্গাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। বছরের পর বছর অনিশ্চয়তা, নাগরিকত্বহীনতা ও নিরাপত্তাহীনতার বোঝা বয়ে চলেছেন তারা। বহুবার আশ্বাস দেওয়া হলেও কার্যকর উদ্যোগ ও দৃশ্যমান অগ্রগতি এখনও অধরা বলে অভিযোগ রোহিঙ্গাদের।
শরণার্থী শিবিরগুলোতে বসবাসরত রোহিঙ্গারা জানান, প্রত্যাবাসনের কথা বারবার শোনা গেলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন নেই। ফলে হতাশা দিন দিন ঘনীভূত হচ্ছে। তাদের দাবি, শুধু কথার ফুলঝুরি নয়—প্রয়োজন বাস্তব ও টেকসই সমাধান।
রোহিঙ্গাদের স্পষ্ট বক্তব্য, মর্যাদা, নিরাপত্তা ও নাগরিকত্বের নিশ্চয়তাসহ নিজ দেশে নিরাপদ প্রত্যাবর্তনই একমাত্র সমাধান। তারা প্রশ্ন তুলেছেন—আর কতদিন অপেক্ষা করতে হবে?
এদিকে দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা সংকটের ভার বহন করা উখিয়া ও টেকনাফ এলাকার স্থানীয় মানুষের ভাগ্যও তেমন বদলায়নি। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, পরিবেশগত চাপ ও নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগে তারাও চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন।
রোহিঙ্গাদের কণ্ঠে এখন একটাই দাবি—
“আর নয় প্রতিশ্রুতি, চাই বাস্তব উদ্যোগ।
নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মর্যাদাসহ
নিজের দেশে নিরাপদ প্রত্যাবর্তন—এটাই একমাত্র সমাধান।”