
মোঃ শাহজাহান বাশার,সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার
কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ১৫ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। এসময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরেকজন আসামি পালিয়ে যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখ রাতের দিকে কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৪নং আমড়াতলী ইউনিয়নে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, আমড়াতলী বাজার থেকে কোটেশ্বরগামী সড়কে জনৈক মো. হিরন মিয়ার বাড়ির সামনে পাকা রাস্তায় কয়েকজন ব্যক্তি সিএনজি নিয়ে মাদক বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
এ সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে ছত্রখিল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুইজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি সিএনজি রেখে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ ধাওয়া করে একজনকে আটক করতে সক্ষম হলেও অন্যজন কৌশলে পালিয়ে যায়।
আটক ব্যক্তি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজের নাম মো. ইকবাল হোসেন (৩৭), পিতা-মো. মফিজ মিয়া, সাং-বড়জ্বালা (মুজার বাড়ি), থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা বলে জানান। পালিয়ে যাওয়া আসামির নাম মো. স্বপন মিয়া (৩৫), পিতা-তাজুল ইসলাম, সাং-কোদালিয়া, থানা-বুড়িচং, জেলা-কুমিল্লা বলে জানা গেছে।
পরে আটক আসামির দেখানো মতে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে একটি সবুজ রঙের পুরাতন সিএনজি অটোরিকশার সিটের পেছনে খাকী রঙের স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো একটি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। প্যাকেটটি খুলে ১৫ (পনের) কেজি গাঁজা পাওয়া যায়। মাদক বহনের কাজে ব্যবহৃত সিএনজিটি তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে আটক ইকবাল হোসেন স্বীকার করেন, তারা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে কম মূল্যে গাঁজা সংগ্রহ করে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অধিক মূল্যে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রাখেন।
এ ঘটনায় আটক ও পলাতক আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। আটক ইকবাল হোসেনকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
Reporter Name 








