
কুমিল্লা জেলার বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) মু. রেজা হাসান তাঁর মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি, দক্ষ প্রশাসনিক নেতৃত্ব এবং গণমাধ্যমবান্ধব মনোভাবের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই জেলার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি সুশাসন প্রতিষ্ঠা, জনসেবার মানোন্নয়ন এবং উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
জেলার প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও জনমুখী ও কার্যকর করতে তিনি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, যা সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাঁর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে নতুন গতি দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো সাংবাদিকদের সঙ্গে তাঁর আন্তরিক ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক। গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধাশীল আচরণ, ধৈর্য সহকারে তাদের কথা শোনা এবং তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মানসিকতা তাঁকে একজন ব্যতিক্রমী প্রশাসক হিসেবে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে। সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, যেকোনো সময়—এমনকি গভীর রাতেও—তিনি ফোন রিসিভ করেন এবং সমস্যার বিষয় মনোযোগ দিয়ে শোনেন।
শুধু শোনা নয়, প্রাপ্ত অভিযোগ বা তথ্যের ভিত্তিতে তিনি দ্রুত সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশনা প্রদান করে কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করেন। এতে সাধারণ জনগণের সমস্যার দ্রুত সমাধান যেমন সম্ভব হচ্ছে, তেমনি গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যেও আস্থা ও সন্তুষ্টি বৃদ্ধি পাচ্ছে। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে এমন মানবিক ও সাংবাদিকবান্ধব জেলা প্রশাসক খুব কমই দেখা গেছে বলে মত দিয়েছেন অনেক সাংবাদিক।
সাংবাদিক ও প্রশাসনের মধ্যে এই সুসম্পর্ক একটি কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করেছে, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও জনসেবা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের প্রতি তাঁর সহানুভূতিশীল মনোভাব এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ তাঁকে জনমনে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা বজায় রাখার দৃঢ় অবস্থান এবং দায়িত্বশীল প্রশাসনিক নেতৃত্ব কুমিল্লা জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার করেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, তাঁর নেতৃত্বে জেলা প্রশাসন আরও গতিশীল, আধুনিক ও জনমুখী হয়ে উঠছে।
সব মিলিয়ে, জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের মানবিকতা, কর্মদক্ষতা এবং গণমাধ্যমবান্ধব আচরণ কুমিল্লায় একটি ইতিবাচক প্রশাসনিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ভবিষ্যতেও তাঁর এ ধারা অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশা জেলার সর্বস্তরের মানুষের।
