প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ৫:০৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ৫:১৩ এ.এম
সীতাকুণ্ডে আবুল খায়ের গ্রুপের প্রতিষ্ঠানে দেড় বছরে ৮ দফায় ডাকাতি, আটক ৩
মোঃ সালেক উদ্দিন
স্টাফ রিপোর্টার
আজ ১৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ০৬:০০ ঘটিকার দিকে চট্রগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত আবুল খায়ের রোলিং মিলস লিঃ-এ ১৫ থেকে ২০ জনের একটি ডাকাত দল ডাকাতির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করে এবং কারখানার ক্যাবল কেটে উৎপাদন কার্যক্রম অচল করার চেষ্টা করে। এসময় গার্ডে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা বাধা প্রদান করলে ডাকাত দল তাদের উপর আক্রমণের চেষ্টা করে।
পরিস্থিতি অবনতি হলে আনসার সদস্যরা প্রথমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ০১ রাউন্ড রাবার কার্তুজ ফায়ার করেন। তবুও ডাকাত দল পিছু না হটে আরও আক্রমণাত্মক আচরণ করলে আত্মরক্ষার্থে আনসার সদস্যরা পরবর্তীতে ০৩ রাউন্ড সিসা কার্তুজ ফায়ার করেন। এতে ডাকাত দল পিছু হটতে বাধ্য হয়।
ঘটনাস্থল থেকে আনসার সদস্যরা ০৩ জন ডাকাতকে আটক করতে সক্ষম হন। এছাড়া তাদের কাছ থেকে প্রায় ৩২০ কেজি ক্যাবল, রামদা এবং অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন– সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ফুলতলা এলাকার জাবেদ (২৭), শরিফুর রহমান (২৮) ও নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার বন্তাবাড়ি এলাকার রাসেল (২৯)।
সংস্থা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্থানীয় পুলিশকে অবহিত করেছেন।
কারাখানার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সোমবারের ঘটনা নিয়ে দেড় বছরে এই কারখানায় আট দফায় ডাকাতি হয়েছে। এ ছাড়া মব সৃষ্টি করে তিন-চারবার লুটপাটও হয়েছে। থানায় পৃথক মামলা ও জিডি হলেও দুর্বৃত্তরা এখনও বেপরোয়া। সংঘবদ্ধ একটি চক্র কারখানার নানা কাজে বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
সর্বশেষ গত ২৬ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ওই কারখানায় হামলা করে লুটপাট চালায়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বিএনপির ও অঙ্গ সংগঠনের দুই নেতাসহ সাতজনকে ধরে পুলিশে দেন স্থানীয় লোকজন।
কারখানার ডিজিএম (এইচআর, অ্যাডমিন) ইমরুল কাদের ভূঁইয়া বলেন, আটক তিনজনের কাছ থেকে লুট হওয়া কিছু বৈদ্যুতিক কেবল, দেশিয় কিরিচ ও রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই কারখানার নিরাপত্তা দল ও আনসার সদস্যরা মিলে পুরো এলাকার নিরাপত্তা বাড়িয়েছেন।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, ডাকাতির ঘটনায় কারখানার পক্ষে একটি মামলা হয়েছে। আটক ডাকাতদের এতে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার আদালতে পাঠানো হয়। বিচারক তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন। অন্য ডাকাতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

Design and Developed by: Manobadhikar IT