ঢাকাSaturday , 27 January 2024
  1. অগ্নিকান্ড
  2. অনুষ্ঠান
  3. অপরাধ
  4. অবৈধ বালু উত্তোলন
  5. অভিনন্দন
  6. অর্থনীতি
  7. আইন ও বিচার
  8. আক্রান্ত
  9. আটক
  10. আত্মহত্যা
  11. আনন্দ মিছিল
  12. আন্তর্জাতিক
  13. আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
  14. আবহাওয়া
  15. আর্থিক সহোযোগিতা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পথের ধারে খড়কুটোর ঘরে বৃদ্ধ দম্পত্তির ঠাঁই কষ্টে যাচ্ছে শীতের রাত 

Link Copied!

এম এ সাকিব খন্দকার
শিবপুর উপজেলা প্রতিনিধি
পথের ধারে খড়কুটোর ঘরে বৃদ্ধ দম্পত্তির ঠাঁই কষ্টে যাচ্ছে শীতের রাত
পথের ধারে সামান্য জায়গায় পুরনো কয়টা টিন আর খড়কুটোর তৈরী ছোট্ট ঘরে হামাগোরের বুড়া-বুড়ির শীতের রাত কাটে। ঘরে শোয়ার জন্য কোনো খাট কিংবা চৌকি নাই, নাই কোনো বিদ্যুতের আলো। মেঝেতে খড়ের বিছানা বানিয়ে তাতেই কনকনে শীতে এই ঠাণ্ডার মধ্যে রাত্রী যাপন করি তবুও  খোঁজ নেই কারোও। দিনের বেলায় এলাকার বাড়ী বাড়ী গিয়ে চায়েচিন্তে আনে খাই। এখন শীত বেশি তাই বারে যাওয়াও কষ্ট হয়। শীতে খুব কষ্টে রাত পার করোচি বাহে। একনা কম্বল পাইলে আরাম হত। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বয়স্ক ভাতা ও স্ত্রী প্রতিবন্ধী ভাতা পাই তাই সরকারের অন্য কোনো সুযোগ সুবিধা দেয়না। তবুও আল্লায় ভালো রাখিছে। এভাবেই নিজের কথা বলছিলেন জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার হরেন্দা বাজার এলাকায় পথের ধারে খড়কুটোর ঘরে ঠাই হওয়া ছানাউল্লাহ (৭০) নামের বৃদ্ধ দম্পত্তি।
উত্তরের হিমেল হাওয়া ও ঘণ কুয়াশায় সৃষ্ট হাড়কাঁপানো কনকনে তীব্র শীতে যখন কাবু জনজীবন। তখন দুই সপ্তাহেরও বেশিদিন ধরে চলমান শৈত্যপ্রবাহ যেন, মরার উপর খড়ার ঘাঁ হয়ে দাঁড়িয়েছে মানুষ ও প্রাণীকূলে। দিনে কিছুটা স্বস্তি থাকলেও রাতে প্রকৃতির কাছে হার মানছে মানুষ। রাতে শীত থেকে বাঁচতে সবাই যখন শরীরে মোটা কাপড়, লেপ, কম্বল পরিধাণ করে শীত নিবারনের চেষ্টা করছে, ঠিক তখন খোলা আকাশের নিচে পথের ধারে খড়কুটোর তৈরী ঘরে খড়ের বিছানার উপর সামান্য কিছু কাপড় শরীরে জড়িয়ে রাত্রী যাপন করেছেন বাক-প্রতিবন্ধী স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে মোঃ ছানাউল্লাহ শেখ (৭০) নামের এক বৃদ্ধ দম্পত্তি।
ছানাউল্লাহ দম্পতি বলেন, দেশ স্বাধীনের পর গাইবান্ধা জেলা থেকে পাঁচবিবির মহিপুর এলাকায় এসে অন্যের বাড়ীতে আশ্রয় নেই। এরপর মানুষের বাড়ী বাড়ী কাজ করে সেখানেই খাসের জায়গায় ঘর বানিয়ে থাকতাম। স্ত্রী সন্তানসহ সেখানেই কেটে যায় বহুকাল। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর ছেলেকে বাড়ী ছেড়ে দিয়ে ভিটা-মাটি ছেড়ে চলে আসেন ছানাউল্লাহ। এরপর যাযাবর জীবনে প্রায় সাত বছর আগে উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের বড়পুকুরিয়া গ্রামের এক বাক-প্রতিবন্ধী মহিলাকে বিয়ে করে সড়কের ধারে খড়কুটোর তৈরী ছোট্ট ঘরে সংসার বাঁধেন এই বৃদ্ধ দম্পত্তি। মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভিক্ষা করে সংসার চলছে তাদের। সরকারের একটি আশ্রয়ণের ঘর চান তিনি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাঁচবিবি-কামদিয়া সড়কের হরেন্দা বাজারের পুর্ব দিকে রাস্তার পাশের সামান্য কিছু জায়গায় পুরনো কিছু টিন ও খড়কুটোর তৈরী ছোট্ট ঘরে কষ্টে জীবন যাপন করেছেন ছানাউল্লাহ ও তাঁর বাক-প্রতিবন্ধী স্ত্রী। ঘরে শোয়ার জন্য কোনো খাট কিংবা চৌকি নেই, নেই কোনো বিদ্যুতের আলো। মেঝেতে খড়ের বিছানা বানিয়ে তার উপর কিছু কাপড় দিয়ে বিছানা বানিয়ে এই কনকনে শীতে রাত্রী যাপন করছেন তবুও  খোঁজ নেই কারোও। ঘরের ভিতরে এলোমেলো অবস্থা। বাড়ীতে একটা টিউবওয়েল বসা সেটাও নাকি মানুষের ধার করা ইরির সিজম আসলে নিয়ে যাবে। একারনে এই বৃদ্ধ দম্পত্তির সরকারের কাছে আবেদন তাকে যেন একটি আশ্রয়ণের ঘর দেওয়া হয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।