ঢাকাসোমবার , ১৯ জুন ২০২৩
  1. অগ্নিকান্ড
  2. অনুষ্ঠান
  3. অপরাধ
  4. অবৈধ বালু উত্তোলন
  5. অভিনন্দন
  6. অর্থনীতি
  7. আইন ও বিচার
  8. আওয়ামী লীগ
  9. আওয়ামী লীগে
  10. আক্রান্ত
  11. আটক
  12. আত্মহত্যা
  13. আদালত
  14. আনন্দ মিছিল
  15. আন্তর্জাতিক
আজকের সর্বশেষ সবখবর

২১ বছর পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

কামরুল ইসলাম চট্রগ্রাম
জুন ১৯, ২০২৩ ১:০৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

২১ বছর পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার
কামরুল ইসলাম

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় জানে আলম নামে এক ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. আয়ুব আলীকে (৭০) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গ্রেপ্তার আয়ুব আলী উপজেলার আমিরাবাদ থানার মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে।
শনিবার (১৭ জুন) হাটহাজারী উপজেলার ফতেয়াবাদ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র‌্যাব জানায়, গত ২০০২ সালের ৩০ মার্চ একটি মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার আগে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে স্থানীয় কিছু দুস্কৃতিকারী ও সৈয়দ বাহিনীর সদস্যরা ব্যবসায়ী জানে আলমকে দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে। পরবর্তীতে মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। যা সেই সময়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় তার বড় ছেলে মো. তজবিরুল আলম বাদী হয়ে লোহাগাড়া থানায় ২১ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ হত্যাকাণ্ডের চার মাস আগে নিহতের ছোট ভাইকেও ওই বাহিনী একইভাবে হত্যা করে। এ ঘটনায়ও লোহাগাড়ায় ১৩ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এই মামলাতে গ্রেপ্তার আয়ুব আলী প্রধান আসামি ছিল।
র‌্যাব আরও জানায়, ব্যবসায়ী জানে আলম হত্যা মামলায় ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ড ৮ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। রায় ঘোষণার পর আসামিরা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করলে সুপ্রিম কোর্ট আসামি আয়ুব আলীসহ মোট ১০ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অন্যদের খালাস দেন।
র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নূরুল আবছার বলেন, ২১ বছর ধরে পালিয়ে বেড়ানো আসামি আয়ুব হাটহাজারীর ফতেয়াবাদ এলাকায় অবস্থান করছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার সেখানে অভিযান চালিয়ে আয়ুব আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আয়ুব আলী জানায়, ব্যবসায়ী জানে আলম তার আপন ছোট ভাইয়ের হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী ছিলেন। মূলত জানে আলম পরিবারের বড় ছেলে এবং আর্থিকভাবে কিছুটা স্বচ্ছলও ছিলেন। তাই মামলা-মোকদ্দমার ব্যয়ভার তিনি বহন করতেন। এতে তার উপর আক্রোশ দিন দিন বেড়ে যায়। ব্যবসায়ী জানে আলকে হত্যা করলে ওই পরিবারের মামলা-মোকদ্দমা চালাবার মতো কোন লোক থাকবে না এবং প্রত্যক্ষভাবে আর কোন সাক্ষীও থাকবে না। আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে এবং তার সকল সম্পত্তি সহজে তারা গ্রাস করতে পারবে। এই কারণে প্রকাশ্যে দিবালোকে ব্যবসায়ী জানে আলমকে হত্যা করে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।