
মোঃজাহাঙ্গীর হোসেন, স্টাফরির্পোটার (পটুয়াখালী)
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে চলমান ল্যাট্রিন নির্মাণ কার্যক্রম নিয়ে উঠেছে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নিম্নমানের মালামাল সরবরাহ ও ভোক্তভোগীদের কাছ থেকে যাতায়াত খরচ নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন উপকারভোগীরা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রকল্পভুক্ত প্রত্যেকটি ল্যাট্রিনের জন্য সরকারি বরাদ্দ রয়েছে ৩৫ হাজার টাকা। অথচ যেসব রিং-স্লাব সরবরাহ করা হচ্ছে তার মান এতই নিম্নমানের যে, রিং তোলার সময়ই ভেঙে যাচ্ছে। এছাড়া মালামাল আনার জন্য বাড়তি খরচ ভোক্তভোগীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের ভুক্তভোগী ফিরোজ আলম, রোকসনা বেগম ও কামরুল হাসান অভিযোগ করে বলেন, সরবরাহ করা ল্যাট্রিনের মালামালের মান এতটাই নিম্নমানের যে ছয় মাসও টিকবে না। রিং-স্লাব উঠাতে গেলেই ভেঙে যাচ্ছে, টিন এমন পাতলা যেন কাগজ, আর কাঠের মান এতটাই খারাপ যে তা জ্বালানির লাকড়ির চেয়েও নিম্নমানের। এসব সামগ্রীর বাজারমূল্য সর্বোচ্চ ১০-১২হাজার টাকা হতে পারে।
তারা আরও বলেন, যাতায়াতের খরচ দেওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত এক টাকাও দেওয়া হয়নি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
এ বিষয়ে ঠিকাদারের পক্ষ হিসেবে মো. রিয়াদকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে রাঙ্গাবালী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সাথী বেগম বলেন, সব কিছুই নিয়ম অনুযায়ী দেওয়ার কথা। তবে অভিযোগের বিষয়টি জানতে পেরেছি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাহিদ ভূঞা মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি আমি অবহিত হয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Reporter Name 























