Dhaka 8:47 pm, Thursday, 16 April 2026

উখিয়ায় বিজিবি’র দুঃসাহসিক অভিযান ৮ কোটি ১০ লক্ষ টাকা মূল্যের ২ লাখ ৭০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

  • Reporter Name
  • Update Time : 08:03:00 am, Wednesday, 18 February 2026
  • 239 Time View
সোলতান আহমদ।
টেকনাফ  প্রতিনিধি: 

কক্সবাজারের টেকনাফে বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) কর্তৃক পরিচালিত এ অভিযানে মালিকবিহীন আনুমানিক ৮ কোটি ১০ লক্ষ টাকা মূল্যের ২,৭০,০০০ (দুই লক্ষ সত্তর হাজার) পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত ১১টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোয়াইক্যং বিওপি’র একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৮ হতে আনুমানিক ১.৫ কিলোমিটার উত্তর দিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মনিরঘোনা নামক স্থানে অবস্থান নেয়। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টায় মনিরঘোনা এলাকা থেকে ইয়াবা বহনকারী একটি সিএনজি ও একটি মোটরসাইকেল হাইওয়ে সড়কে ওঠার সময় বিজিবি টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করে।

বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা সিএনজি ও মোটরসাইকেল ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পরিত্যক্ত যানবাহন তল্লাশি চালিয়ে সিএনজির ভেতরে রাখা প্লাস্টিক বস্তার মধ্যে স্কচটেপ দ্বারা মোড়ানো খাকি রঙের বায়ুরোধী প্যাকেটে থাকা ২,৭০,০০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পালিয়ে যাওয়া চোরাকারবারীদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে এলাকায় চিরুনি অভিযান চালানো হলেও রাতের অন্ধকারে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম, জি অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,

“পালিয়ে যাওয়া মাদক চোরাকারবারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান।”

তিনি আরও বলেন,

“বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও সর্বদা কঠোর অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনস্থ উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক দমন ও অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে আসছে।

Tag :
সম্পাদক ও প্রকাশক : আবুল হাসান

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

পদ্মা সেতুতে এক রাতে দুই দুর্ঘটনা, বাস ও মিনি কাভার্ড ভ্যান উল্টে আহত ৭,

উখিয়ায় বিজিবি’র দুঃসাহসিক অভিযান ৮ কোটি ১০ লক্ষ টাকা মূল্যের ২ লাখ ৭০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

Update Time : 08:03:00 am, Wednesday, 18 February 2026
সোলতান আহমদ।
টেকনাফ  প্রতিনিধি: 

কক্সবাজারের টেকনাফে বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) কর্তৃক পরিচালিত এ অভিযানে মালিকবিহীন আনুমানিক ৮ কোটি ১০ লক্ষ টাকা মূল্যের ২,৭০,০০০ (দুই লক্ষ সত্তর হাজার) পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত ১১টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোয়াইক্যং বিওপি’র একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৮ হতে আনুমানিক ১.৫ কিলোমিটার উত্তর দিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মনিরঘোনা নামক স্থানে অবস্থান নেয়। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টায় মনিরঘোনা এলাকা থেকে ইয়াবা বহনকারী একটি সিএনজি ও একটি মোটরসাইকেল হাইওয়ে সড়কে ওঠার সময় বিজিবি টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করে।

বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা সিএনজি ও মোটরসাইকেল ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পরিত্যক্ত যানবাহন তল্লাশি চালিয়ে সিএনজির ভেতরে রাখা প্লাস্টিক বস্তার মধ্যে স্কচটেপ দ্বারা মোড়ানো খাকি রঙের বায়ুরোধী প্যাকেটে থাকা ২,৭০,০০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পালিয়ে যাওয়া চোরাকারবারীদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে এলাকায় চিরুনি অভিযান চালানো হলেও রাতের অন্ধকারে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম, জি অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,

“পালিয়ে যাওয়া মাদক চোরাকারবারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান।”

তিনি আরও বলেন,

“বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও সর্বদা কঠোর অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনস্থ উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক দমন ও অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে আসছে।