Dhaka 10:19 pm, Thursday, 16 April 2026

লৌহজংয়ে আউশ আবাদে প্রণোদনার ছোঁয়া, ৪০০ কৃষকের হাতে বীজ-সার, বাড়ছে খরিপ-১ মৌসুমের প্রস্তুতি

  • Reporter Name
  • Update Time : 12:50:51 pm, Thursday, 16 April 2026
  • 31 Time View

এম এ রাজ্জাক (সুমন)
মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় আউশ ধান আবাদ সম্প্রসারণে ৪০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিপ-১ মৌসুমে এ সহায়তা দেওয়া হয়।
বুধবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃষকদের হাতে উপকরণ তুলে দেন অতিথিরা।  উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের নির্বাচিত কৃষকরা এ প্রণোদনার আওতায় আসেন।  প্রতিজন কৃষককে দেওয়া হয়েছে ৫ কেজি আউশ ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার।কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, আউশ আবাদ বাড়াতে সময়মতো বীজ ও সার সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।  একই সঙ্গে পতিত জমি চাষের আওতায় আনা এবং স্থানীয় খাদ্য উৎপাদন বাড়াতেও এ উদ্যোগ কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।  অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাসান উদ দৌলা।  সঞ্চালনা করেন উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সেলিম হোসেন।  প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু।  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এরফানুর রহমান।  আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউল ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।  অতিথিরা বলেন, উৎপাদন ব্যয় বাড়ার সময়ে কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে সরকারের এ ধরনের প্রণোদনা বড় সহায়তা।  তারা জানান, আউশ মৌসুমে আবাদ বাড়লে পরবর্তী মৌসুমে খাদ্যশস্যের সরবরাহও ইতিবাচক প্রভাব পাবে।  উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ মাঠপর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেবে বলেও জানানো হয়।  কৃষকেরা বলছেন, বিনামূল্যের বীজ ও সার পাওয়ায় মৌসুমের শুরুতেই তাদের খরচের চাপ কিছুটা কমবে।  স্থানীয়ভাবে আউশ আবাদ বৃদ্ধি পেলে কৃষিজমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হবে বলেও মত দেন অনেকে।  বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু ঝুঁকির সময় বিকল্প মৌসুমভিত্তিক ধান চাষে উৎসাহ দেওয়া খাদ্যনিরাপত্তার জন্য জরুরি।
এ কারণে লৌহজংয়ের এই প্রণোদনা কর্মসূচি শুধু কৃষক সহায়তাই নয়, উৎপাদনমুখী পরিকল্পনারও অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।  সময়োপযোগী সহায়তা ও মাঠপর্যায়ের তদারকি অব্যাহত থাকলে চলতি মৌসুমে লৌহজংয়ে আউশ আবাদে দৃশ্যমান অগ্রগতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

Tag :
সম্পাদক ও প্রকাশক : আবুল হাসান

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

পদ্মা সেতুতে এক রাতে দুই দুর্ঘটনা, বাস ও মিনি কাভার্ড ভ্যান উল্টে আহত ৭,

লৌহজংয়ে আউশ আবাদে প্রণোদনার ছোঁয়া, ৪০০ কৃষকের হাতে বীজ-সার, বাড়ছে খরিপ-১ মৌসুমের প্রস্তুতি

Update Time : 12:50:51 pm, Thursday, 16 April 2026

এম এ রাজ্জাক (সুমন)
মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় আউশ ধান আবাদ সম্প্রসারণে ৪০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিপ-১ মৌসুমে এ সহায়তা দেওয়া হয়।
বুধবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃষকদের হাতে উপকরণ তুলে দেন অতিথিরা।  উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের নির্বাচিত কৃষকরা এ প্রণোদনার আওতায় আসেন।  প্রতিজন কৃষককে দেওয়া হয়েছে ৫ কেজি আউশ ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার।কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, আউশ আবাদ বাড়াতে সময়মতো বীজ ও সার সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।  একই সঙ্গে পতিত জমি চাষের আওতায় আনা এবং স্থানীয় খাদ্য উৎপাদন বাড়াতেও এ উদ্যোগ কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।  অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাসান উদ দৌলা।  সঞ্চালনা করেন উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সেলিম হোসেন।  প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু।  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এরফানুর রহমান।  আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউল ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।  অতিথিরা বলেন, উৎপাদন ব্যয় বাড়ার সময়ে কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে সরকারের এ ধরনের প্রণোদনা বড় সহায়তা।  তারা জানান, আউশ মৌসুমে আবাদ বাড়লে পরবর্তী মৌসুমে খাদ্যশস্যের সরবরাহও ইতিবাচক প্রভাব পাবে।  উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ মাঠপর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেবে বলেও জানানো হয়।  কৃষকেরা বলছেন, বিনামূল্যের বীজ ও সার পাওয়ায় মৌসুমের শুরুতেই তাদের খরচের চাপ কিছুটা কমবে।  স্থানীয়ভাবে আউশ আবাদ বৃদ্ধি পেলে কৃষিজমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হবে বলেও মত দেন অনেকে।  বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু ঝুঁকির সময় বিকল্প মৌসুমভিত্তিক ধান চাষে উৎসাহ দেওয়া খাদ্যনিরাপত্তার জন্য জরুরি।
এ কারণে লৌহজংয়ের এই প্রণোদনা কর্মসূচি শুধু কৃষক সহায়তাই নয়, উৎপাদনমুখী পরিকল্পনারও অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।  সময়োপযোগী সহায়তা ও মাঠপর্যায়ের তদারকি অব্যাহত থাকলে চলতি মৌসুমে লৌহজংয়ে আউশ আবাদে দৃশ্যমান অগ্রগতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।