
এম এ রাজ্জাক (সুমন)
মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:
পদ্মা সেতু ও এর সংযোগ এলাকায় এক রাতেই পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে একটি দুর্ঘটনা ঘটে পদ্মা সেতু উত্তর থানার আগে ওজোন স্টেশনের সামনে, মাওয়া অভিমুখী একটি বাসকে ঘিরে। অন্যটি ঘটে পদ্মা সেতুর মাঝামাঝি অংশে ১৪ নম্বর পিলারের কাছে, যেখানে একটি মিনি কাভার্ড ভ্যান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। দুটি ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠায় শ্রীনগর ফায়ার স্টেশনের সদস্যরা। পরে তাদের মধ্যে কয়েকজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। বাস দুর্ঘটনায় আহত হন চালক সাগর (৩৫), বাড়ি চুয়াডাঙ্গায়। আহত হন বাসের সুপারভাইজার সাজেদুল ইসলাম (২৭), পিতা আসাদুল, কেশবপুর, মহেশপুর, ঝিনাইদহ।
একই ঘটনায় আহত হন রাব্বি (২০), পিতা হান্নান, ফরিদপুর। আরও আহত হন রাব্বি (২১), পিতা রবিউল, ঝিনাইদহ।
শিহাব (২০), পিতা শরিফুল, ঝিনাইদহও ওই বাস দুর্ঘটনায় আহতদের তালিকায় রয়েছেন। অন্যদিকে, মিনি কাভার্ড ভ্যান দুর্ঘটনায় আহত হন হৃদয় (১৭), পিতা চান্দু মিয়া, বকশিগঞ্জ, গঙ্গাচড়া, রংপুর। একই ঘটনায় আহত হন সেলিম (২৮), পিতা আমিনুল, হোতাপাড়া, সুজানগর, পাবনা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গভীর রাতে সেতু এলাকায় যান চলাচলের সময় হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারানোই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হতে পারে। তবে দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের প্রাথমিকভাবে উদ্ধার তৎপরতা চালান।
এরপর তাদের শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয় আহতদের।
এক রাতে একই করিডরে দুটি দুর্ঘটনা ঘটায় পদ্মা সেতু এলাকায় রাতের সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে দীর্ঘপথের যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, চালকের ক্লান্তি এবং সেতু এলাকায় নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের উদ্যোগ নেবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
Reporter Name 


















