Dhaka 3:36 am, Thursday, 12 March 2026

নরসিংদীতে জাল সনদধারী ২৬ শিক্ষক শনাক্ত, উত্তোলিত টাকা ফেরতের নির্দেশ

  • Reporter Name
  • Update Time : 07:55:45 am, Monday, 2 March 2026
  • 150 Time View
আল আমিন মিয়া,
স্টাফ রিপোর্টার
নরসিংদী জেলায় জাল সনদের মাধ্যমে চাকরি গ্রহণ ও বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগে মোট ২৬ জন শিক্ষককে শনাক্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তদন্তে তাদের শিক্ষাগত সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
উপজেলা ভিত্তিক তালিকা অনুযায়ী, নরসিংদী সদর উপজেলায় ৫ জন, পলাশ উপজেলায় ১ জন, শিবপুর উপজেলায় ৩ জন, বেলাব উপজেলায় ৪ জন, মনোহরদী উপজেলায় সর্বোচ্চ ১২ জন এবং রায়পুরা উপজেলায় ১ জন শিক্ষক রয়েছেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষকদের চাকরির সময়কালীন উত্তোলিত বেতন-ভাতা ও সরকারি সুবিধার অর্থ ফেরত দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রয়োজনে ফৌজদারি মামলার প্রস্তুতিও চলছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের যাচাই-বাছাই অব্যাহত থাকবে। জাল সনদের মাধ্যমে চাকরি গ্রহণ কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলেও তারা সতর্কবার্তা দেন।
এ ঘটনায় জেলার শিক্ষা মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর জানিয়েছে, ভবিষ্যতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আরও কঠোর যাচাই-বাছাই কার্যক্রম জোরদার করা হবে।
Tag :
সম্পাদক ও প্রকাশক : আবুল হাসান

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার এনআইডি সংশোধন আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে

নরসিংদীতে জাল সনদধারী ২৬ শিক্ষক শনাক্ত, উত্তোলিত টাকা ফেরতের নির্দেশ

Update Time : 07:55:45 am, Monday, 2 March 2026
আল আমিন মিয়া,
স্টাফ রিপোর্টার
নরসিংদী জেলায় জাল সনদের মাধ্যমে চাকরি গ্রহণ ও বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগে মোট ২৬ জন শিক্ষককে শনাক্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তদন্তে তাদের শিক্ষাগত সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
উপজেলা ভিত্তিক তালিকা অনুযায়ী, নরসিংদী সদর উপজেলায় ৫ জন, পলাশ উপজেলায় ১ জন, শিবপুর উপজেলায় ৩ জন, বেলাব উপজেলায় ৪ জন, মনোহরদী উপজেলায় সর্বোচ্চ ১২ জন এবং রায়পুরা উপজেলায় ১ জন শিক্ষক রয়েছেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষকদের চাকরির সময়কালীন উত্তোলিত বেতন-ভাতা ও সরকারি সুবিধার অর্থ ফেরত দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রয়োজনে ফৌজদারি মামলার প্রস্তুতিও চলছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের যাচাই-বাছাই অব্যাহত থাকবে। জাল সনদের মাধ্যমে চাকরি গ্রহণ কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলেও তারা সতর্কবার্তা দেন।
এ ঘটনায় জেলার শিক্ষা মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর জানিয়েছে, ভবিষ্যতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আরও কঠোর যাচাই-বাছাই কার্যক্রম জোরদার করা হবে।