
২০২০ সালের প্রস্তাবিত ভূমি ব্যবহার স্বত্ব গ্রহণ আইন (খসড়া) অনুযায়ী, অবৈধভাবে বা কৃষি জমি নষ্ট করে জমির শ্রেণি পরিবর্তন দণ্ডনীয় অপরাধ। জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া আবাদযোগ্য জমির উপরিস্তর কাটা বা ভরাট করা যাবে না। অবৈধ পরিবর্তনে ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে, যা মূলত পরিবেশ রক্ষা ও সুপরিকল্পিত ভূমি ব্যবহারের উদ্দেশ্যে প্রণীত [৫, ৭, ৮]।
জমির শ্রেণি পরিবর্তনের আইন ও প্রক্রিয়া সংক্রান্ত মূল তথ্য:
অনুমতি ও দণ্ড: জেলা প্রশাসক (DC) এর অনুমোদন ছাড়া আবাদযোগ্য জমির মাটি কাটা বা শ্রেণি পরিবর্তন করা যাবে না। অবৈধভাবে ভরাট বা শ্রেণি পরিবর্তন করলে অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে [৫, ১৩]।
আবেদন প্রক্রিয়া: জমির শ্রেণি পরিবর্তনের জন্য ১০ টাকা কোর্ট ফি দিয়ে [সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা AC Land] বরাবর আবেদন করতে হয় [৪]।
তদন্ত ও অনুমোদন: আবেদন পাওয়ার পর ইউনিয়ন ভূমি অফিস তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয় এবং শুনানির মাধ্যমে উপযুক্ত কারণ দর্শানো সাপেক্ষে রেকর্ড সংশোধন করা হয় [৪]।
নিষেধাজ্ঞা: জনস্বার্থবিরোধী বা পরিবেশের ক্ষতি সাধন করে এমন কোনো কৃষি জমি বা জলাশয় ভরাট করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ [৫]।
বিশেষ ক্ষেত্রে: বসতবাড়ি নির্মাণের জন্য বা নিজের প্রয়োজনে সীমিত পরিসরে, জমির উর্বরতা নষ্ট না করে মাটি কাটা বা ভরাট করা যেতে পারে, তবে তা অবশ্যই বিধি মেনে [৫]।
দ্রষ্টব্য: এটি মূলত ২০২০ সালের খসড়া আইন এবং পরবর্তীতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-
Reporter Name 


















